২০৬০ সালের মধ্যে কোরিয়ার মাথাপিছু জাতীয় ঋণ পাঁচ গুণ ছাড়াতে পারে

বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যখন ২০৬০ সালে অবসরে যাবে, তখন দক্ষিণ কোরিয়ার মাথাপিছু জাতীয় ঋণের পরিমাণ গড়ে ১৩ কোটি ওনে (প্রায় ৯৩ হাজার ৭০০ ডলার) পেঁৗছতে পারে।

বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যখন ২০৬০ সালে অবসরে যাবে, তখন দক্ষিণ কোরিয়ার মাথাপিছু জাতীয় ঋণের পরিমাণ গড়ে ১৩ কোটি ওনে (প্রায় ৯৩ হাজার ৭০০ ডলার) পেঁৗছতে পারে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত দেশটির জাতীয় সংসদের বাজেট দপ্তরের (এনএবিও) দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পূর্বাভাসে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর দ্য কোরিয়া হেরাল্ড।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাথাপিছু জাতীয় ঋণ ধরা হয়েছে ২ কোটি ৪৫ লাখ ৮০ হাজার ওন। ২০৩০ সালে তা বেড়ে হবে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার ওন, ২০৫০ সালে ৮ কোটি ৬১ লাখ ৩০ হাজার ও ২০৭২ সালে দাঁড়াবে ২০ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার ওন। কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন স্থানীয় সরকারের নিট ঋণ এ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এনএবিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাথাপিছু ঋণ বাড়ার বড় কারণ জনসংখ্যা কমে যাওয়া। ২০২৫ সালে কোরিয়ার মোট জনসংখ্যা ৫ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার হলেও ২০৭২ সালে তা নেমে আসতে পারে ৩ কোটি ৬২ লাখ ২০ হাজারে। একই সময় বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়বে। এতে কল্যাণ খাতে ব্যয়ও দ্রুত বাড়বে। ফলে ব্যবস্থাপিত রাজস্ব ঘাটতি ২০২৫ সালের ৮৫ ট্রিলিয়ন ৫০০ কোটি ওন থেকে বেড়ে ২০৭২ সালে ২৭০ ট্রিলিয়ন ৭০০ কোটি ওনে পৌঁছতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ঘাটতি মেটাতে সরকারকে আরো ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করতে হবে। এতে কমসংখ্যক করদাতার ওপর ঋণের চাপ বাড়বে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালে কোরিয়ার সাধারণ সরকারি ঋণ ১ হাজার ২০০ ট্রিলিয়ন ওয়ন ছাড়িয়েছে। ঋণ জিডিপি অনুপাতও প্রথমবারের মতো ৫০ শতাংশের বেশি হয়েছে।

আরও